মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন প্রবাসী কর্মীর সন্তানের হাতে শিক্ষা বৃত্তি পত্র প্রদান করছেন

প্রবাসী কল্যান বোর্ডের সদস্য হলে প্রবাসীদের অনেক সুবিধা

একজন প্রবাসী কর্মীর আপদকালীন সময়ে সার্বক্ষণিক ওয়েজ আর্নার্স কল্যান বোর্ডের সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষে প্রবাসী কর্মীদের ওয়েজ আর্নার্স কল্যান বোর্ডের সদস্যপদের নিবন্ধন হয়েছে. সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এতে আপনার কোনো প্রকার টাকা খরচ করতে হবে না|
ওয়েজ আর্নার্স কল্যান বোর্ডের সদস্য হলে যেসব সুবিধা প্রাপ্প হবেন:
১. স্বল্প খরচে জীবন বীমা করতে পারবেন
২. প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীরা বিদেশে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় বিভিন্ন কারণে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে জেলে আটক থাকেন। এসব কর্মীদের আইনগত সহায়তা প্রদান করে মুক্তকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ দেশে ফেরত আনার ব্যবস্থা করা হয়।

৩. প্রবাসে কর্মরত নারী কর্মীরা বিভিন্ন সময় নিয়োগকর্তা কর্তৃক নানা ধরণের নির্যাতন, হয়রানি অথবা নিরাপত্তা জনিত সমস্যায় পড়েন। এ সকল বিপদগ্রস্থ নারী কর্মীদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশে সেইফ হোম স্থাপন করা হয়েছে। কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত এ সকল সেইফ হোম বাংলাদেশ মিশন সমূহের তত্ত্বাবধানে পরিচালনা করা হয়। সেইফ হোমে আশ্রয় গ্রহণকারী নারী কর্মীদের খাবার, চিকিৎসাসহ অন্যান্য সকল ধরণের সহায়তা করা হয়। বর্তমানে সৌদি আরবের রিয়াদে একটি, জেদ্দায় দুটি, ওমান ও লেবাননে একটি করে সেইফ হোম বিদ্যমান রয়েছে।
৪. প্রবাসী কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড কর্তৃক প্রবাস বন্ধু কল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। সকল প্রবাসী কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা সহজেই তাঁদের সমস্যাগুলি নিয়ে দিন রাত ২৪ ঘন্টা কল সেন্টারের মাধ্যমে সহজেই প্রতিকার পায়।
৫. বাংলাদেশ মিশনসমূহের ২৯ টি শ্রম উইং এর মাধ্যমে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণমূলক সেবা প্রদান করে থাকে। শ্রম উইং এর প্রধান দায়িত্ব প্রবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রদান করা। এ সব শ্রম উইং এর মাধ্যমে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বিভিন্ন আদালতে মামলা পরিচালনায় আইনগত সহায়তা প্রদান, ক্ষতিপূরণ আদায়, বকেয়া এবং অন্যান্য বেনিফিট, মৃতদেহ আনয়ন, পালিয়ে আসা নারী কর্মীদের জন্য সেইফ হোম পরিচালনা করে থাকে।

৬. ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড কর্তৃক বৈধভাবে বিদেশ গমনকারী মৃত কর্মীর পরিবারকে ৩ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। যে সকল কর্মী ছুটিতে এসে দেশে মৃত্যুবরণ করেন তাঁরাও আর্থিক অনুদানের ০৩ লক্ষ টাকা প্রাপ্য হন।
৭. দেশের ০৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এর মাধ্যমে বিদেশ হতে আগত মৃতদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর এবং তাৎক্ষণিকভাবে মৃতদেহ পরিবহন ও দাফনের খরচ বহনের জন্য ৩৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।
৮. গুরুত্বর আহত এবং অসুস্থ হয়ে অনেক প্রবাসী কর্মী দেশে ফেরত আসতে বাধ্য হন। তাঁদের মধ্যে অনেকের উপযুক্ত চিকিৎসা খরচ বহনের মত আর্থিক সামর্থ্য থাকে না। এ সকল ক্ষেত্রে অসুস্থ কর্মীদের চিকিৎসার জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড হতে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেয়া হয়।
৯. অস্বচ্ছল প্রবাসী কর্মীর সন্তানকে শিক্ষিত জনসম্পদে রুপান্তরিত করতে তাদের মেধাবী সন্তানদের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডর অর্থায়নে ২০১২ সাল থেকে পিইসি, জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসি অথবা সমমান ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।


লেখাটি ভালো লাগলে- লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন