মালয়েশিয়াতে অবৈধ প্রবাসীরা বিভাবে বৈধ হবেন:১ম পর্ব

মালয়েশিয়াতে বৈধ হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হলো আপনি যে মালয়েশিয়াতে ঢুকেছেন সেটার রেকর্ড থাকতে হবে, কারণ আমাদের দেশ থেকে অনেকে অনেক ভাবে মালয়েশিয়া আসে থাকেন যাদের অনেকেরই মালয়েশিয়াতে ঢোকার কোনো রেকর্ড নাই , যেমন যারা বডি কন্ট্রাক্টে মালয়েশিয়াতে ঢুকেছেন তাদের বেশিরভাগেরই কোনো রেকর্ড নাই, তাই আমরা এখানে সব রকম সমস্যা নিয়েই লিখবো আপনাকে মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে|

যারা এইবার রিক্যালিব্রাসি তে আবেদন করতে পারবেন:
• আপনি যেইদিন ইমিগ্রশনে যাবেন সেই দিন আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ অবশ্যই ১৮ মাস থাকতে হবে
• আপনি যেইদিন ইমিগ্রশনে যাবেন সেই দিন আপনার বয়স অবশ্যই ৪৫ বছরের কম হতে হবে
• আপনার যেই পাসপোর্টে এর আগে ভিসা ছিল সেই পাসপোর্ট যদি আপনার কাছে না থাকে বা হারিয়ে গেছে তবে সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই থানা থেকে একটি জিডির কপি নিয়ে যাবেন, জিডি কপির মধ্যে আপনার নাম, পাসপোর্ট নম্বর এবং আপনার জন্ম তারিখ লেখা থাকতে হবে|

১. যারা টুরিস্ট ভিসায় কোনো একসময় মালয়েশিয়া এসেছিলেন এবং আপনার ভিসার মেয়াদ ৩১শে ডিসেম্বর ২০২০ এর আগে শেষ হয়েছে তারা আবেদন করতে পারবে , তবে অনলাইনে অবশ্যই রেকর্ড থাকতে হবে কারণ টুরিস্ট ভিসায় বডি কন্ট্রাক্টে ঢুকলে এয়ারপোর্টে অফিসার অনেক সময় পাসপোর্টে শুধু সিল মেরে ছেড়ে দেয় কিন্তু পাসপোর্ট অনলাইন করে না |
২. যারা স্টুডেন্ট ভিসায় মালয়েশিয়াতে এসেছিলেন এবং আপনার ভিসার মেয়াদ ৩১শে ডিসেম্বর ২০২০ এর আগে শেষ হয়েছে তারা আবেদন করতে পারবেন , তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে আপনি মালয়েশিয়াতে আসার পর ভিসা পেয়েছিলেন কি -না | আপনি যখন বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া এসেছিলেন তখন আপনার পাসপোর্টে একটু নীল রঙের ভিসা দেওয়া হয়েছিল আর মালয়েশিয়াতে আসার পর একটা লাল রঙের ভিসা দেওয়া হয় , আপনি যদি লাল রঙের ভিসা পেয়ে থাকেন তবে আপনি আবেদন করতে পারবেন আর যদি এমন হয় যে আপনি মালয়েশিয়া আসার পর কলেজে থেকে কোনো লাল ভিসা পান নাই তবে নিয়ম অনুযায়ী আপনি আবেদন করতে পারবেন না |
৩. আপনি যদি প্রফেশনাল ভিসায় এসে থাকেন তবে খেয়াল রাখবেন যে আপনি মালয়েশিয়াতে আসার পর লাল রঙের ভিসা পেয়েছিলেন কি-না , আপনি যদি মালয়েশিয়াতে আসার পর লাল রঙের ভিসা না পেয়ে থাকেন তবে নিয়ম অনুযায়ী আপনি স্বাভাবিক ভাবে ভিসা করতে পারবেন না |আর যদি আপনি লাল রঙের ভিসা পেয়ে থাকেন এবং আপনার ভিসার মেয়াদ ৩১শে ডিসেম্বর ২০২০ এর আগেই শেষ হয়ে থাকে তবে আপনি ভিসা করতে পারবেন |
৪. আপনার যদি এমন হয়ে থাকে যে গতবার রি-হায়ারিং এর সময় কোনো কোম্পানিতে ইমিগ্র্যাশন ফিঙ্গার করেছিলেন কিন্তু পরে আপনাকে আর ভিসা করে দেয় নাই , তবে সেই ক্ষেত্রে আপনাকে দেখতে হবে যে আপনার PLKS হয়েছিল কি -না , কারণ গতবার অনেক কোম্পানি ইমিগ্রশনে লেভি জমা না দিয়েই লোকজনকে ভুয়া লেভির কাগজ দিয়েছিল | আপনার যদি এমন হয়ে থাকে যে গতবার ফিঙ্গার হয়েছিল কিন্তু PLKS হয় নাই সেইক্ষেত্রে এইবার আপনার ভিসা হইতে কোনো সমস্যা হবে না , কিন্তু গতবার যদি PLKS হয়ে থাকে তবে সেই ক্ষেত্রে আপনাকে হয়তোবা কন্ট্রাক্টে ভিসা করতে হতে পারে |


লেখাটি ভালো লাগলে- লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন