অবৈধ মালয়েশিয়া প্রবাসীরা যেভাবে দেশে ফেরত যাবেন

মালয়েশিয়াতে ৪ ধরণের অবৈধ বাংলাদেশী বসবাস করেন |
১. যাদের পাসপোর্ট আছে এবং পাসপোর্টের মেয়াদও আছে কিন্তু কোনো ভিসা নাই
২. যাদের পাসপোর্ট আছে কিন্তু পাসপোর্টের মেয়াদও নাই এবং ভিসাও নাই
৩. যারা পূর্বে পাসপোর্ট করেছিলেন কিন্তু পাসপোর্ট হারিয়ে গেছে কিন্তু পাসপোর্টের ফটোকপি আপনার কাছে আছে
৪. যাদের কাছে পাসপোর্ট ও নাই এবং ভিসাও নাই
তাই প্রথমে আপনাকে চিন্তা করতে হবে যে আপনি কোন ধরণের অবৈধ | আমরা এখানে উপরের ৪ ধরণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছি , আপনাকে মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে যেন আপনি নিজেই আপনার সমস্যা সমাধান করতে পারেন এবং কোনো হেনস্থার সম্মুখীন না হন | আপনার যদি এমন হয় যে আপনার পাসপোর্ট আছে এবং পাসপোর্টের মেয়াদও কিন্তু ভিসা নাই , যেকোনো কারণে আপনি অবৈধ হয়ে পড়েছেন সেই ক্ষেত্রে বর্তমানে আপনার জন্য দেশে ফেরত যাওয়ার পদ্ধতিটি অনেক সহজ হবে |
আপনাকে নিচের পদ্ধতি অনুসারে কাজ করতে হবে : ১. সর্বপ্রথম আপনাকে অনলাইনে এই ঠিকানায় http://sto.imi.gov.my/ গিয়ে অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে , মনে রাখবেন যে আপনাকে যেই এপয়েন্টমেন্ট ডেট দেওয়া হবে সেই তারিখ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত আপনার স্পেশাল পাস এর মেয়াদ হবে (ধরুন আপনি আজকে অপোইন্টমেন্টের জন্য আবেদন করেছে এবং আপনাকে ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে ইম্মিগ্রাশনে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে , সুতরাং আপনার স্পেশাল পাশের মেয়াদ হবে ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখ পর্যন্ত )|
২. দ্বিতীয় ধাপে আপনাকে আপনার স্পেশাল পাশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বের যেকোনো একটি তারিখের টিকিট কাটতে হবে দেশে যাওয়ার জন্য |
৩. তৃতীয় ধাপে আপনাকে ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, অনলাইনে অপোইন্টমেন্টের প্রিন্টআউট কপি , বিমানের টিকেটের কপি এবং প্রয়োজনীয় রিঙ্গিত (কম্পউন্ড বাবদ ৫০০ রিঙ্গিত ও স্পেশাল পাস বাবদ ১০০ রিঙ্গিত , মোট ৬০০ রিঙ্গিত একটি ডেবিট কার্ডের মধ্যে নিয়ে যেতে হবে ) এই সব কিছু নিয়ে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী ইমিগ্রশনে যেতে হবে , মনে রাখেন ইম্মিগ্রাশনে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই মুখে মাস্ক এবং হাতে গ্লোভস নিয়ে তারপর যাবেন | আপনার মনে হতে পারে বা অনেকে বলতে পারে যে এতো কিছুতো লাগে না , ভাই মনে রাখবেন যে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন আর মেয়ে মানুষের মন , এই দুইয়েরই কোনো গ্যারান্টি নাই , যে কোনো সময় এমনকি ক্ষনে ক্ষনে বদলায় | তাই আপনার বিষয়টা আপনাকেই খেয়াল রাখতে হবে |
|এখন আপনার মনে হতে পারে যে , আপনার তো ভিসায় নাই তাহলে ব্যাঙ্ক কার্ড অথবা ডেবিট কার্ড কিভাবে করবেন| আপনাদের কোটা বিবেচনা করে আমরা আপনাদের জন্য লিখেছি যে কিভাবে আপনারা বিনা ভিসায় ডেবিট কার্ড করবেন , বিস্তারিত জানার জন্য এই লিংকে গিয়ে পড়ুন : ভিসা না থাকলেও যেভাবে মালয়েশিয়াতে ডেবিট কার্ড করতে পারবেন চতুর্থ ধাপে আপনার যখন স্পেশাল পাস হয়ে যাবে তারপর আপনার ফ্লাইট ডেটের ৩ দিন আগেই আপনি করোনা টেস্ট করতে দিবেন এবং ফ্লাইটের আগের দিন আপনার করোনা টেস্টের রেজাল্ট হাতে নিবেন এবং পরের দিন সময়মতো সোজা এয়ারপোর্টে চলে যাবে , ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই আপনি আপনার পরিবারের সাথে থাকবেন|

আমাদের এবারের লেখাটি তাদের জন্য যাদের পাসপোর্ট আছে কিন্তু মেয়াদ নাই , আপনাদেরকে যেটা করতে হবে তা হচ্ছে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে একটি ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহ করতে হবে | আপনাকে ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ব্যাঙ্ক ড্রাফটের জন্য ২০ রিঙ্গিত এবং আপনার পাসপোর্টের মূলকপি এবং ফটোকপি নিয়ে বাংলাদেশ এম্বেসীতে যেতে হবে | সেখানে নির্ধারিত ফর্মে ট্রাভেল পারমিটের জন্য আবেদন করতে হবে , যেহেতু আপনার কাছে পাসপোর্ট আছে কিন্তু মেয়াদ নাই সে জন্য আপনার জন্য ট্রাভেল পারমিট পাওয়া একটু সহজ হবে , সাধারণত একদিনেই পেয়ে যাবে | ট্রাভেল পারমিটটি হাতে পাওয়ার পর আপনাকে স্পেশাল পাশের জন্য নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করতে হবে : ১. সর্বপ্রথম আপনাকে অনলাইনে এই ঠিকানায় http://sto.imi.gov.my/ গিয়ে অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে , মনে রাখবেন যে আপনাকে যেই এপয়েন্টমেন্ট ডেট দেওয়া হবে সেই তারিখ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত আপনার স্পেশাল পাস এর মেয়াদ হবে (ধরুন আপনি আজকে অপোইন্টমেন্টের জন্য আবেদন করেছে এবং আপনাকে ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে ইম্মিগ্রাশনে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে , সুতরাং আপনার স্পেশাল পাশের মেয়াদ হবে ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখ পর্যন্ত )|
২. দ্বিতীয় ধাপে আপনাকে আপনার স্পেশাল পাশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বের যেকোনো একটি তারিখের টিকিট কাটতে হবে দেশে যাওয়ার জন্য |,br> ৩. তৃতীয় ধাপে আপনাকে ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, অনলাইনে অপোইন্টমেন্টের প্রিন্টআউট কপি , বিমানের টিকেটের কপি এবং প্রয়োজনীয় রিঙ্গিত (কম্পউন্ড বাবদ ৫০০ রিঙ্গিত ও স্পেশাল পাস বাবদ ১০০ রিঙ্গিত , মোট ৬০০ রিঙ্গিত একটি ডেবিট কার্ডের মধ্যে নিয়ে যেতে হবে ) এই সব কিছু নিয়ে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী ইমিগ্রশনে যেতে হবে , মনে রাখেন ইম্মিগ্রাশনে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই মুখে মাস্ক এবং হাতে গ্লোভস নিয়ে তারপর যাবেন | আপনার মনে হতে পারে বা অনেকে বলতে পারে যে এতো কিছুতো লাগে না , ভাই মনে রাখবেন যে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন আর মেয়ে মানুষের মন , এই দুইয়েরই কোনো গ্যারান্টি নাই , যে কোনো সময় এমনকি ক্ষনে ক্ষনে বদলায় | তাই আপনার বিষয়টা আপনাকেই খেয়াল রাখতে হবে |এখন আপনার মনে হতে পারে যে , আপনার তো ভিসায় নাই তাহলে ব্যাঙ্ক কার্ড অথবা ডেবিট কার্ড কিভাবে করবেন| আপনাদের কোটা বিবেচনা করে আমরা আপনাদের জন্য লিখেছি যে কিভাবে আপনারা বিনা ভিসায় ডেবিট কার্ড করবেন , বিস্তারিত জানার জন্য এই লিংকে গিয়ে পড়ুন :কিভাবে আপনারা বিনা ভিসায় ডেবিট কার্ড করবেন
চতুর্থ ধাপে আপনার যখন স্পেশাল পাস হয়ে যাবে তারপর আপনার ফ্লাইট ডেটের ৩ দিন আগেই আপনি করোনা টেস্ট করতে দিবেন এবং ফ্লাইটের আগের দিন আপনার করোনা টেস্টের রেজাল্ট হাতে নিবেন এবং পরের দিন সময়মতো সোজা এয়ারপোর্টে চলে যাবে , ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই আপনি আপনার পরিবারের সাথে থাকবেন| আমাদের এবারের লেখাটি তাদের জন্য যারা পূর্বে পাসপোর্ট করেছিলেন কিন্তু পাসপোর্ট হারিয়ে গেছে শুধু পাসপোর্টের ফটো কপি আপনার কাছে আছে : আপনাকে সর্বপ্রথম থানায় একটি জিডি করতে হইব এই মর্মে যে আপনার পাসপোর্ট হারিয়ে গেছে , এরপর আপনাকে ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি , জিডির কপি , হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্টের ফটোকপি , আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি , ট্রাভেল পারমিটের জন্য ২০ রিঙ্গিত নিয়ে সহজ বাংলাদেশ এম্বেসী তে চলে যেতে হবে এবং সেখানে নির্ধারিত ফর্মে ট্রাভেল পারমিটের জন্য আবেদন করতে হবে , আপনার ভাগ্য ভালো থাকলে আপনি একদিনেই ট্রাভেল পারমিট পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ | এরপর আপনি যখন আপনার ট্রাভেল পারমিট হাতে পাবেন , আপনাকে নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করতে হবে :
১. সর্বপ্রথম আপনাকে অনলাইনে এই ঠিকানায় http://sto.imi.gov.my/ গিয়ে অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে , মনে রাখবেন যে আপনাকে যেই এপয়েন্টমেন্ট ডেট দেওয়া হবে সেই তারিখ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত আপনার স্পেশাল পাস এর মেয়াদ হবে (ধরুন আপনি আজকে অপোইন্টমেন্টের জন্য আবেদন করেছে এবং আপনাকে ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে ইম্মিগ্রাশনে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে , সুতরাং আপনার স্পেশাল পাশের মেয়াদ হবে ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখ পর্যন্ত )|
২. দ্বিতীয় ধাপে আপনাকে আপনার স্পেশাল পাশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বের যেকোনো একটি তারিখের টিকিট কাটতে হবে দেশে যাওয়ার জন্য |
৩. তৃতীয় ধাপে আপনাকে ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, অনলাইনে অপোইন্টমেন্টের প্রিন্টআউট কপি , বিমানের টিকেটের কপি এবং প্রয়োজনীয় রিঙ্গিত (কম্পউন্ড বাবদ ৫০০ রিঙ্গিত ও স্পেশাল পাস বাবদ ১০০ রিঙ্গিত , মোট ৬০০ রিঙ্গিত একটি ডেবিট কার্ডের মধ্যে নিয়ে যেতে হবে ) এই সব কিছু নিয়ে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী ইমিগ্রশনে যেতে হবে , মনে রাখেন ইম্মিগ্রাশনে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই মুখে মাস্ক এবং হাতে গ্লোভস নিয়ে তারপর যাবেন | আপনার মনে হতে পারে বা অনেকে বলতে পারে যে এতো কিছুতো লাগে না , ভাই মনে রাখবেন যে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন আর মেয়ে মানুষের মন , এই দুইয়েরই কোনো গ্যারান্টি নাই , যে কোনো সময় এমনকি ক্ষনে ক্ষনে বদলায় | তাই আপনার বিষয়টা আপনাকেই খেয়াল রাখতে হবে |
|এখন আপনার মনে হতে পারে যে , আপনার তো ভিসায় নাই তাহলে ব্যাঙ্ক কার্ড অথবা ডেবিট কার্ড কিভাবে করবেন| আপনাদের কোটা বিবেচনা করে আমরা আপনাদের জন্য লিখেছি যে কিভাবে আপনারা বিনা ভিসায় ডেবিট কার্ড করবেন , বিস্তারিত জানার জন্য এই লিংকে গিয়ে পড়ুন : ভিসা না থাকলেও যেভাবে মালয়েশিয়াতে ডেবিট কার্ড করতে পারবেন চতুর্থ ধাপে আপনার যখন স্পেশাল পাস হয়ে যাবে তারপর আপনার ফ্লাইট ডেটের ৩ দিন আগেই আপনি করোনা টেস্ট করতে দিবেন এবং ফ্লাইটের আগের দিন আপনার করোনা টেস্টের রেজাল্ট হাতে নিবেন এবং পরের দিন সময়মতো সোজা এয়ারপোর্টে চলে যাবে , ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই আপনি আপনার পরিবারের সাথে থাকবেন|

এই লেখাটি তাদের জন্য যাদের কোনো পাসপোর্ট নাই এমনকি কখনো পাসপোর্ট করেন নাই অথবা পাসপোর্ট করেছিলেন কিন্তু হারিয়ে গেছে এবং আপনার কাছে কোনো ফটোকপিও নাই | আপনাকে দেশে যাওয়ার জন্য সামান্য একটু কষ্ট করতে হবে | আপনাকে নিচের ডকুমেন্ট গুলো সংগ্রহ করতে হবে :
১. আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি
২. আপনার পরিবারের কারো (বাবা অথবা মা অথবা আপনার ভাইদের ) যেকোনো একজন জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ইমেইল করে আনতে হবে
৩. আপনার ইউনিয়ন অথবা পৌরসভার চেয়ারম্যানের থেকে আপনার নাগরিকত্ত সার্টিফিকেট ৪. ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
৫. ট্রভেল পারমিটের জন্য ২০ রিঙ্গিত
উপরের ডকুমেন্ট গুলো নিয়ে আপনি বাংলাদেশ এম্বাসিতে চলে যাবে এবং সেখানে গিয়ে নির্ধারিত ফর্মে ট্রাভেল পারমিট এর জন্য আবেদন করতে হবে , বেশিভাগ সময় একদিনেই ট্রাভেল পারমিট দিয়ে দেওয়া হয় , তবে অনেক সময় অতিরিক্ত ভেরিফিকেশনের জন্য পরের দিন দেওয়া হয়| আপনার ট্রাভেল পারমিট হাতে পাওয়ার পর নিচে ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে :
১. সর্বপ্রথম আপনাকে অনলাইনে এই ঠিকানায় http://sto.imi.gov.my/ গিয়ে অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে , মনে রাখবেন যে আপনাকে যেই এপয়েন্টমেন্ট ডেট দেওয়া হবে সেই তারিখ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত আপনার স্পেশাল পাস এর মেয়াদ হবে (ধরুন আপনি আজকে অপোইন্টমেন্টের জন্য আবেদন করেছে এবং আপনাকে ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে ইম্মিগ্রাশনে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে , সুতরাং আপনার স্পেশাল পাশের মেয়াদ হবে ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখ পর্যন্ত )|
২. দ্বিতীয় ধাপে আপনাকে আপনার স্পেশাল পাশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বের যেকোনো একটি তারিখের টিকিট কাটতে হবে দেশে যাওয়ার জন্য |
৩. তৃতীয় ধাপে আপনাকে ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, অনলাইনে অপোইন্টমেন্টের প্রিন্টআউট কপি , বিমানের টিকেটের কপি এবং প্রয়োজনীয় রিঙ্গিত (কম্পউন্ড বাবদ ৫০০ রিঙ্গিত ও স্পেশাল পাস বাবদ ১০০ রিঙ্গিত , মোট ৬০০ রিঙ্গিত একটি ডেবিট কার্ডের মধ্যে নিয়ে যেতে হবে ) এই সব কিছু নিয়ে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী ইমিগ্রশনে যেতে হবে , মনে রাখেন ইম্মিগ্রাশনে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই মুখে মাস্ক এবং হাতে গ্লোভস নিয়ে তারপর যাবেন | আপনার মনে হতে পারে বা অনেকে বলতে পারে যে এতো কিছুতো লাগে না , ভাই মনে রাখবেন যে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন আর মেয়ে মানুষের মন , এই দুইয়েরই কোনো গ্যারান্টি নাই , যে কোনো সময় এমনকি ক্ষনে ক্ষনে বদলায় | তাই আপনার বিষয়টা আপনাকেই খেয়াল রাখতে হবে |
|এখন আপনার মনে হতে পারে যে , আপনার তো ভিসায় নাই তাহলে ব্যাঙ্ক কার্ড অথবা ডেবিট কার্ড কিভাবে করবেন| আপনাদের কোটা বিবেচনা করে আমরা আপনাদের জন্য লিখেছি যে কিভাবে আপনারা বিনা ভিসায় ডেবিট কার্ড করবেন , বিস্তারিত জানার জন্য এই লিংকে গিয়ে পড়ুন : ভিসা না থাকলেও যেভাবে মালয়েশিয়াতে ডেবিট কার্ড করতে পারবেন চতুর্থ ধাপে আপনার যখন স্পেশাল পাস হয়ে যাবে তারপর আপনার ফ্লাইট ডেটের ৩ দিন আগেই আপনি করোনা টেস্ট করতে দিবেন এবং ফ্লাইটের আগের দিন আপনার করোনা টেস্টের রেজাল্ট হাতে নিবেন এবং পরের দিন সময়মতো সোজা এয়ারপোর্টে চলে যাবে , ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই আপনি আপনার পরিবারের সাথে থাকবেন|


লেখাটি ভালো লাগলে- লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন